রাবিতে ‘শব্দকলা সাহিত্য পুরস্কার’ পেলেন কবি তানভীর আজীমি
কবিতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘শব্দকলা সাহিত্য পুরস্কার’ পেলেন কবি তানভীর আজীমি। ৮ অক্টোবর শনিবার বিকেল ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একাডেমিক ভবনের ২২৩ নাম্বার কক্ষে শব্দকলা আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারটি তাঁর হাতে তুলে দেয়া হয়। শব্দকলা সম্পাদক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এবং কবি ও গবেষক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন রাবি উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর কবি ও গবেষক ড. ফেরদৌসী বেগম, নন্দন সম্পাদক কথাশিল্পী নাজিব ওয়াদুদ, অনুকার সম্পাদক প্রফেসর ড. সামিউল ইসলাম, কবি ও গবেষক ড. সায়দ ওয়াকিল, কবি মঞ্জিলা শরীফ, কবি তানভীর আজীমির সহধর্মিনী দিলরুবা খানম, কবি সালেকুর রহমান সম্রাট প্রমুখ।
বক্তাগণ বলেন, তানভীর আজীমি একজন প্রবাসী কবি। জন্মস্থান মুন্সীগঞ্জ হলেও মাত্র ১১ বছর বয়স থেকে তাঁর প্রবাস জীবন শুরু হয়। পাকিস্তানের করাচিতে কেটেছে কৈশোরের উচ্ছলতা, তারুণ্যের উজ্জ্বলতা এবং যৌবনের প্রখর সময়। গ্রাজুয়েশন এবং পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করেছেন ইসলামাবাদ ইউনিভার্সিটি থেকেই। তারপরে চলে যান গ্রীসে। বর্তমানে গ্রীসের রাজধানী এথেন্সে কর্মরত। দেশের বাইরে প্রবাস জীবন কাটলেও বাংলাভাষা ও সাহিত্যের প্রতি তাঁর অসাধারণ মমত্ববোধ তাঁর দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। প্রবাসে থেকেই তিনি নিরলসভাবে সাহিত্য চর্চা করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ‘হৃদয় সীমান্তে, নবম প্রহর, নিঃসঙ্গতার অলিন্দে, ঝরা পাতার গল্প প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ পাঠক সমাজে সমাদৃত হয়েছে। কবিতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাঁকে ‘শব্দকলা সাহিত্য পুরষ্কার’ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকার বদরুল আলম, কবি হেদায়েত পাঠান, আরমানুল ইসলাম, জুবায়ের আহমেদ, মুহাম্মদ স্বপন, মুহাম্মদ বেলাল, রাসেল মিয়া, বন্যা আক্তারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গবেষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। খবর বিজ্ঞপ্তির।
