জয়পুরহাট জেলাপাঁচবিবিবৃহত্তর বগুড়া

পাঁচবিবিতে টাকা দিয়েও মিলছেনা চোখের ড্রপঃ ঘরে ঘরে চোখ উঠা রোগ

 জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় এখন ঘরে ঘরে চোখ উঠা রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই আক্রান্ত হচ্ছে ছোট বড় সবাই। ফার্মেসিগুলোতে টাকা দিয়েও মিলছে না চোখের ড্রপার। প্রতিবছর গ্রীষ্মকাল এলেই দেখা দেয় ভাইরাসজনিত এই ছোঁয়াচে রোগটি। এবছর শরৎ মৌসুমে শুরু হয়েছে এই রোগ। উপজেলার প্রায় প্রতিটি ঘরে ঘরে শিশু কিশোর থেকে শুরু করে ছোট বড় সবাই আক্রান্ত হচ্ছে। উপজেলার মহিপুর সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিনই বাড়ছে এই রোগীর সংখ্যা। চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তাররা।
চশমার দোকানগুলোতে কালো চশমা বিক্রির হিড়িক পড়ে গেছে। পাঁচবিবি বাজারের ফার্মেসী দোকানগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, টাকা দিয়েও পাওয়া যাচ্ছে না চোখ ওঠা রোগের ড্রপার । বাইতুন নূর জামে মসজিদ মার্কেটের ঔষধ ব্যবসায়ী আফরুজা ফার্মাসীর মালিক দেওয়ান মোঃ আসাদুল্লাহ জানান, চোখের ড্রপারের চাহিদা প্রচুর। আমরা চাহিদামত দিতে পারছি না। কোম্পানি থেকে সরবরাহ নেই বললেই চলে। যদিও কোনদিন দুই এক চালান সরবরাহ পাই তা মুহূর্তেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। গ্রামের দোকানে ড্রপ কিনতে আসা পাকুড়তলী গ্রামের শাহজাহান আলী জানান, ৪০ টাকার ড্রপ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তবুও মিলছে না।
এ বিষয়ে জেলা ড্রাগ সুপার মোঃ মোকছেদুল আমিন বলেন,এম,আর,পির বাহিরে অতিরিক্ত মূল্যে ড্রপার বিক্রির কোন সুযোগ নেই। যদি কেউ অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ সোলায়মান হোসেন মেহেদী বলেন, কনজাংটিভাইটিস একটি সিজিনাল ভাইরাল রোগ। এটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। একটু নিজেকে আড়াল করে রাখতে হয়। চোখে কালো চশমা পরতে হয়। চোখের যে ড্রপগুলো আছে অ্যান্টিভাইরাল এগুলো ব্যবহার করলে এটা কমে যায়। পাঁচ সাত দিন একটু কষ্ট করতে হয়। হাসপাতালে প্রতিদিনই এই রোগের সংখ্যা বাড়ছে। আমরা ড্রপ দিয়ে ছেড়ে দিচ্ছি।
 পাঁচবিবি (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:
Spread the love

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *